সত্তরের দশকের শেষদিকে কবিকে পেয়ে বসে এক অদ্ভুত অস্তিত্বসংকট। সেই সংকট অবশ্য তাঁকে কাবু করে ফেলতে পারেনি, বরং করেছে আরও বেশি ‘চিন্তাশ্রয়ী’। সেসব চিন্তার ফসল হয়েছে যে কটি কাব্যগ্রন্থ তার অন্যতম শূন্যতায় তুমি শোকসভা।
কবিতার যিনি পাঠক, মানে জগতের আরও যারা কবি, তারা তো আমৃত্যু কবিকে খুঁজতেই থাকেন। সে অসীম অন্বেষণে যে লাভের লাভ কিছুই হয় না, সে তো বহু আগেই বলে গেছেন রবিঠাকুর: ‘যে আমি আমারে বুঝিতে বুঝাতে নারি,/ আপন গানের কাছেতে আপনি হারি,/ সেই আমি কবি। কে পারে আমারে ধরিতে।’
শামসুর রাহমান এখানে সামান্য ব্যতিক্রম, নিজেরে তিনি অধরা না রেখে যেন পাঠক-পাঠিকাকে সামান্য সুযোগ দিলেন। যেন বললেন: আসো, আমার শূন্যতায় করুণা মিশিয়ে আমারে বোঝো। আর তাই এখানকার বেশিরভাগ কবিতায়ই কবিকে পাওয়া যায়। নিজেকে, নিজের সকল সংকট ও শঙ্কাকে তিনি এখানে কবিতার বিষয় করেছেন। সেই সঙ্গে আছে এক গুমোট প্রতিবেশ, যা কিনা তাঁর কবিতাকে নিয়ে যায় বাস্তব থেকে আরেকটু দূরে, পরাবাস্তবে।
বাংলাদেশ রাষ্ট্রের তৎকালীন রাজনৈতিক বাস্তবতা স্মরণ করা যাক। সময়ের প্রভাব কী করে এড়ায় একজন কবি বা তাঁর কবিতা?
top of page
২৫০.০০৳ Regular Price
১৮৭.৫০৳Sale Price
Socials
Related Books
bottom of page

















