"সংস্কৃতি" বইটিতে ড. আহমদ শরীফ সংস্কৃতি বিষয়ক তিনটি বিশ্লেষণধর্মী প্রবন্ধে আমাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও মানসিক জীবনে সংস্কৃতির গভীর তাৎপর্য তুলে ধরেছেন। তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে সংস্কৃতি শুধু কৃষ্টি নয়, বরং মনুষ্যত্বের প্রতীক এবং মানবতার প্রতিরূপ।
📖 বইটিতে আলোচিত হয়েছে সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্যচেতনা, রক্ষণশীলতা, অপসংস্কৃতি এবং সংস্কৃতির বৈশ্বিক রূপান্তরের ধারণা। সমাজ, জাতি ও মানবসভ্যতার বিবর্তনের নিরিখে সংস্কৃতির উৎস, রূপ ও প্রভাব নিয়ে যারা চিন্তা করতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য বইটি একটি চিন্তার খোরাক হয়ে উঠবে।
বইয়ের ফ্ল্যাপ
মানুষের ব্যক্তিক, পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রিক এবং সর্বোপরি মানসিক জীবনের একটি আবশ্যিক ও জরুরি বিষয় হলো সংস্কৃতি। একে এড়িয়ে যাওয়া আর সংকট সমস্যাকে জিইয়ে রাখা প্রায় একার্থক। কেননা, গভীরতার ও ব্যাপকতার তাৎপর্যে সংস্কৃতি হচ্ছে মনুষ্যত্বেরই নির্যাস, অথবা নামান্তর কিংবা মনুষ্যত্বেরই বা মানবতার প্রতীক, প্রতিম, প্রতিভূ বা প্রতিরূপ। সংস্কৃতি কথাটা উচ্চারণ করা সহজ, তাই সবাই সর্বক্ষণ বুঝে না-বুঝে, জেনে না-জেনে ‘সংস্কৃতি’ শব্দটি নানা প্রসঙ্গে উচ্চারণ করে থাকে। কিন্তু Calture কৃষ্টি বা সংস্কৃতির তাৎপর্য বোঝা কঠিন, বোঝানো কঠিনতর। এই কঠিন জিনিসটাই বোঝানোর দায়িত্ব নিয়েছেন বাংলাদেশের প্রাজ্ঞজন ড. আহমদ শরীফ। এখানে গ্রন্থভুক্ত হয়েছে তিনটি বড়ো প্রবন্ধ এবং তিনটিই সংস্কৃতির ওপর বিশ্লেষণধর্মী রচনা। সংস্কৃতির উৎসসন্ধান করেছেন, সেই সাথে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন সংস্কৃতিও স্থানিক, গৌত্রিক, জাতিক, ধার্মিক, সাম্প্রদায়িক রূপ হারিয়ে রূপান্তরে বৈশ্বিক হয়ে উঠবে এমন কথাও হয়তো স্বপ্ন-সংশয় নিয়ে উচ্চারণ করা হবে অদূর ভবিষ্যতে। সাংস্কৃতিক তথা আচারিক স্বাতন্ত্র্যচেতনা, রক্ষণশীলতা ও অপসংস্কৃতি এবং বিকাশের পথে অভিন্ন বৈশ্বিক সংস্কৃতি নিয়ে বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা করেছেন।
সংস্কৃতি
আহমদ শরীফ

















