top of page

রুমির ‘অন্ধকারের হাতি’ গল্পটি শুধু একটি গল্প নয়—এটি দৃষ্টিভঙ্গির সীমাবদ্ধতা এবং সত্যের সামগ্রিকতা নিয়ে গভীর এক বোধসম্পন্ন উপাখ্যান।

একদল লোক এমন একটি ঘরে হাতি দেখতে গেল, যেখানে আগে কেউ হাতি দেখেনি, এবং ঘরটি ছিল সম্পূর্ণ অন্ধকার। যার যা হাতে পড়লো, সে সেটিকেই হাতির পুরো রূপ ভেবে নিল। কেউ শুঁড় ধরে বললো, "এইটা তো পাইপের মতোন!" কেউ ঠ্যাং ধরে ভাবলো, "এইটা তো বিশাল থামের মত!" দাঁত দেখে কেউ বললো, "মনের মতোন সুন্দর তলোয়ার!"

তারা প্রত্যেকে নিজের দেখা অংশটুকুই পুরো সত্য ভেবে ফেললো। অথচ কেউ যদি একটি করে মোমবাতি জ্বালিয়ে ঘরে ঢুকতো—তবে সবাই দেখতে পেত, পুরোটা হাতি আসলে কেমন!

এই গল্পের মূল বার্তা হলো—সত্যের অংশ দেখেই আমরা সিদ্ধান্তে পৌঁছে যাই, অথচ সম্পূর্ণ সত্য দেখতে হলে আলো প্রয়োজন। রুমি নিজেই সেই মোমবাতি, যিনি আমাদের অন্ধকার ঘরে পথ দেখান।

 

 

বইয়ের ফ্ল্যাপ

‘অন্ধকারের হাতি’ নামে একটা কাহিনি লিখছেন রুমি (মানে, কাহিনিটা আরো অন্যান্য সোর্স থিকাও আমরা জানি),এইরকম:কয়েকজন হিন্দু লোকের একটা হাতি দেখানোর লাইগা নিয়া আসলো একটা জায়গায় যেইখানে কেউ কোনদিন হাতি দেখে নাই । অন্ধকার একটা ঘরে যখন হাতিটারে দেখতে গেলো এক একজন, শুঁড় ধইরা কয়,এইটা তো পানির পাইপের মতোন; ঠ্যাং ধইরা কয়, এইটা তো মন্দিরের থামের মতোন, দাঁত ধইরা কয়,এইটা তো পোরসালিন দিয়া বানানো তলোয়ার (সে আবার খুশি হয়, এইরকম সুন্দর।কথা কইতে পাইরা)…মানে, আমরা যটুক দেখি সেইটা দিয়াই পুরাটারে বুঝার কোশিশ করতেছি ।কিন্তু যদি সবার হাতে একটা কইরা মোমবাতি থাকতো, যদি সবাই একসাথে অন্ধকার ঘরটাতে ঢুকতো, তাইলে আসল হাতিটারে দেখতে পাইতো। তো, রুমি হইতেছেন একটা মোমবাতি।আশা করি উনার হাতিটারে দেখতে পারবো আমরা। আবার,একদিন ।

রুমি’র কাহিনি

250.00৳ Regular Price
187.50৳Sale Price
Quantity
  • ইমরুল হাসান

Socials

Related Books

bottom of page