ফুটবল যখন হয়ে ওঠে স্বাধীনতার হাতিয়ার।
নোমান মোহাম্মদের এই অনন্য গ্রন্থটি আমাদের নিয়ে যায় ১৯৭১ সালের গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধের ময়দানে—তবে যুদ্ধক্ষেত্র এখানে ক্রীড়াক্ষেত্র। স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল ছিল এমন এক ঐতিহাসিক দল, যারা ফুটবলকে মুক্তিযুদ্ধের প্রচারণা ও আন্তর্জাতিক সচেতনতা তৈরির মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেছে।
📖 এই বইতে রয়েছে:
⚽️ স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের ইতিহাস
🗣️ খেলোয়াড়দের মুখ থেকে শোনা সাক্ষাৎকার ও স্মৃতিচারণ
🔍 ইতিহাসের অপ্রকাশিত দিক উন্মোচনের প্রচেষ্টা
💔 অতীতের গৌরব আর বর্তমানের বাস্তবতার দ্বন্দ্বএকদিকে ফুটবলের মাঠ, অন্যদিকে যুদ্ধের মাটি—এই দুইয়ের সংমিশ্রণে রচিত ফুটবল পায়ে মুক্তির যুদ্ধ ইতিহাসপ্রেমী ও ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্য এক অনন্য দলিল।
বইয়ের ফ্ল্যাপ
ইতিহাসের আশ্চর্য এক শক্তি রয়েছে । সময়ের ধুলাে গায়ে মেখে হয়তাে সে মহামূল্য প্রত্নতত্ত্বের মতাে এলিয়ে থাকে কোন গহ্বরে । কিন্তু অনুসন্ধানের চকমকি পাথরের স্পর্শে আবারাে সে জ্বলে ওঠে সময়ে । মহাকালের আলােয় আলােকিত করে সমকালকে । এই গ্রন্থে খোঁজা হয়েছে সেই চকমকি পাথর; খোঁড়া হয়েছে ইতিহাস। তাতেই উদ্ভাসিত ১৯৭১ সালের। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের এক গৌরবগাথা । রণাঙ্গনের ক্রীড়াঙ্গন । আরাে নির্দিষ্ট করে বললে ‘স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল’ । যে কোনাে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত পর্যায়ে অস্ত্র দিয়ে যুদ্ধ করাই দস্তুর । অনাদিকাল থেকে তাই তাে হয়ে আসছে। বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার অর্জনও ওই রক্তক্ষয়ী পথ বেয়ে। পাশাপাশি আরেক সীমান্তেও লড়েছেন বাংলার দামাল ছেলেরা। ফুটবল পায়ে সেই লড়াইয়ের উদাহরণ আর একটিও নেই। পৃথিবীর কোনাে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে।দুঃখজনক হলেও সত্যি, সেই স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের কোনাে গ্রন্থিত ইতিহাস আমাদের নেই। আর ঘটনাটি যখন প্রায় চার যুগ আগের, সে কাজটি করাও সহজ ছিল না। তবু একটি গ্রহণযােগ্য দলিল তৈরির জন্যই কষ্টসাধ্য এই প্রচেষ্টা।স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্যদের সঙ্গে কথােপকথন এই গ্রন্থের মূল ভিত্তি। তাঁদের। আনন্দ-বেদনায় হয় ইতিহাসের পুনর্পাঠ । অনেক মিথ্যার বেসাতি সরিয়ে হয় সত্যের পুনঃপ্রতিষ্ঠা। আবার আলােকিত অতীতের পিঠে অনেক। ফুটবল-বীরের বিবর্ণ বর্তমান প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায় রাষ্ট্রের বিবেককে।ইতিহাস উন্মােচনের আনন্দের পাশাপাশি এই বিষাদও তাে কম নয়!
ফুটবল পায়ে মুক্তির যুদ্ধ
নোমান মোহাম্মদ

















