এইসব লেখা নিয়ে কিছু আপত্তি তো সহজেই উঠতে পারে। এক, ছবি কবিতার পরিভাষায়,‘চিত্রকল্প’- কবিতার এক জরুরি উপাদান তো নিশ্চয়ই, কিন্তু কেবল ছবি দিয়ে, ছবির পর ছবি সাজিয়ে কবিতা লেখা যায় কি? কেবল ছবি কি কবিতায় আবেগ জাগিয়ে তুলতে পারে? বিশ শতকের প্রথম দশকের শেষদিকে পাউন্ড ও অন্যরা কবিতায় যে-‘ইমেজিস্ট’ ধারা সূচনা করেছিলেন, তা কিন্তু বেশিদিন টেকেনি। দুই, কথাশিল্পী তাঁর লেখায় যে-বর্ণনার সঙ্গে এইসব লেখার পার্থক্য কোথায়? তিন, যে-কবিতা আমরা সাধারণত দেখি, তা তো বিস্তৃত, ছড়ানো-ছিটানো। খুব অল্পকথায় কথা বলা কি কবিতার গুণ হতে পারে? চার, ছন্দ ছাড়া তো কবিতা লেখা হয় না, এমনকি গদ্যকবিতায়ও এক ধরনের ছন্দস্পন্দ থাকে। ছন্দ থাকলে কিছুটা না-কিছুটা গীতিময়তাও থাকবে। কবিতায় গীতিময়তা এড়ানোর চেষ্টা করা কি ভালো? পাঁচ মানুষ তার চারপাশ প্রতিদিন যা দেখে, যা শোনে, তাকি সরাসরি কবিতার বিষয় হতে পারে, কোনো ব্যাখ্যা ছাড়া, কোনো আলো ফেলা ছাড়া? এইসব আপত্তি, পাঠক, আপনি কি মানেন?
top of page
৬০.০০৳ Regular Price
৪৫.০০৳Sale Price
Socials
Related Books
bottom of page

















