বিগত ৫০ বছরে বিশ্বউষ্ণতা দ্রুতগতিতে বেড়ে গেছে। নাসার রেকর্ডকৃত হিসেবে এটি বিগত ১৩৪ বছরে সর্বোচ্চ। আমরা যদি এই বিশ্ব উষ্ণতাকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারি তাহলে আগামী শতাব্দীতে এটি ১০ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাবে ১ ফুট থেকে ৪ ফুট।
তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার অর্থ হবে আগামী শতাব্দীতে পৃথিবীর সমুদয় মানব গোষ্ঠী গ্রহটিতে বাস করার ক্ষমতা হারাবে।
ছোট বড় মোট ৭০০ নদী ও শাখা-প্রশাখা মিলে আমাদের নদীপথের নাব্যতা ছিল ২৪,১৪০ কিলোমিটার। সবগুলি নদী-খাল খনন ও সংযোগ করে আমাদের একটি প্রবাহে নিয়ে আসতে হবে।
১৭৬২ সালের ২ এপ্রিল ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, ফরিদপুরসহ আসাম ও ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা অঞ্চলে ৭.৫ মাত্রার একটি প্রচন্ড ভূমিকম্প ঘটে যায়। ১৮৯৭ সালের ১২ জুন বিকেলে ঘটে যাওয়া আরেকটি প্রচণ্ড ভূমিকম্পের ফলে বাংলাদেশের অসংখ্য নদ-নদীর বিভিন্ন অংশের তলদেশের উচ্চতা বেড়ে যায়। একদিনেই রংপুরের মোট জনসংখ্যার ৬ ভাগের ১ ভাগ মানুষ নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। মহাপ্লাবনটির প্রভাবে তিস্তার গতিপথ পরিবর্তিত হলো।
বৃহত্তর ঢাকার চারিদিকে টলটলে নদীর পানির বেষ্টনী তৈরি করে এটিকে দুনিয়ার সবচেয়ে পরিবেশবান্ধব শহর হিসেবে গড়ে তোলা যায়। তুরাগ, বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, বালু ও টঙ্গী খালকে সংস্কার, বর্জ্য অপসারণ, খনন ও নাব্যতা ফিরিয়ে এনে ২২০ কিলোমিটার নদীপথটিকে ঢাকার চারিদিকে একটি নিরাপদ জলপথ তৈরি করে পরিবেশবান্ধব ঢাকা নগরী হিসেবে আগামী প্রজন্মকে উপহার দেওয়া যায়।
আমাদের এই সবুজ গ্রহটিতে কবে পানি এলো? এর অস্তিত্ব কোথায়? এটি একটি দুর্বোধ্য ও জটিল গল্প।রহস্যভরা এতসব সৃষ্টি! গোটা সৃষ্টিতেই রয়েছে ঘোর রহস্য!
top of page
৮০০.০০৳ Regular Price
৬০০.০০৳Sale Price
Socials
Related Books
bottom of page

















